পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত বুধবার দিবাগত রাত ১২টার পর আসাদুলকে তাঁর এক বন্ধু রায়েরবাজার সাদেক খান ইটখোলা এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে ওত পেতে থাকা সহযোগীদের সঙ্গে তাঁদের কথা-কাটাকাটি হয়। এ সময় তাঁর সহযোগীরাই তাঁকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। রক্তাক্ত অবস্থায় রাত পৌনে একটার দিকে আসাদুলকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। আসাদুলের পকেট থেকে একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। আসাদুল মোহাম্মদপুরের মেট্রো হাউজিংয়ে থাকতেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার কালনায়। বাবার নাম জলিল সরদার।

ঘটনাস্থলের ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার (সিসি) ফুটেজে দেখা যায়, এক যুবক আসাদুলের কাঁধে হাত দিয়ে একটি গলির শেষ মাথায় নিয়ে যান। মোটরসাইকেলে করে আরেক যুবক এসে তাঁকে চাপাতি নিয়ে কোপান। এ সময় আশপাশে থাকা আরও কয়েকজন যুবক তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়ে আসাদুলের ওপর হামলা চালান।

খুনের ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে জানালেন নিহত আসাদুলের মামাতো ভাই রিয়াজ হোসেন। গতকাল রাতে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর ভাই যেখানে খুন হয়েছেন, সেখান থেকে তাঁর বাসা ৫০০ গজের মধ্যে। এলেক্স ইমন খুন হওয়ার পর ওই জায়গায় দিনে পুলিশি পাহারা ছিল। কিন্তু রাতে থাকত না। সেখানে পুলিশি পাহারা থাকলে তাঁর ভাই খুন হতেন না।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews