গত সপ্তাহে দৈনিক ইনকিলাবের এই কলামে আমি যে লেখাটি লিখেছি তার শিরোনাম ছিলো, ‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে রেড লাইন’। ঐ লেখার শুরুতেই আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলাম। আজকে অন্য একটি বিষয় নিয়ে লিখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তার আগে আবার এই সরকারকে ধন্যবাদ জানাতেই হচ্ছে। কারণ, ভারতের ব্যাপারে এই সরকার যে হার্ড লাইন নিয়েছে সেটি, এপর্যন্ত, একমাত্র ২৪ জুলাই বিপ্লবোত্তর সরকার, অর্থাৎ ড. ইউনূসের সরকার নিয়েছিলেন। আজ এই লেখা (রোববার ১৬ অগাস্ট) শুরুর ঠিক আগে অনলাইনে একটি নিউজ দেখলাম। একটি জাতীয় দৈনিকের অনলাইন সংস্করণে যে খবরটি ফলাও করে প্রকাশিত হয়েছে তার শিরোনাম হলো, ‘অনুকূল পরিবেশ না থাকায় দিল্লি যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী’। খবরে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফরের সম্ভাবনা আপাতত বাতিল হয়ে গেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে বলেছে, ‘এই সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন।’

ঢাকায় রোববার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম। এর আগে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো আভাস দিয়েছিল, আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি দুই দিনের সফরে ভারত যেতে পারেন তারেক রহমান।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম বলেছেন, ‘দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য পলাতক অপরাধীর দ্রুত ফেরত পাঠাতে এবং শহীদ শরীফ ওসমান হাদী হত্যাকা-ে অভিযুক্ত ঘাতকদের বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছি। বাংলাদেশ এই জবাবের অপেক্ষায় আছে।’ কিন্তু এর মধ্যেই ভারতের সংবাদমাধ্যমে কর্তৃপক্ষের সূত্রকে উদ্ধৃত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে দিল্লি সফরে যেতে পারেন বলে খবর বেরিয়েছিল।
এসম্পর্কে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দ-প্রাপ্ত শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট নতুন দিল্লিতে যেভাবে প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন, তাতে এই প্রক্রিয়ার পরিবেশ বিনষ্ট হয়েছে। আমরা এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছি। আমরা মনে করি, এই সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন।’

শহীদুল করিম বলেন, ‘দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য পলাতক অপরাধীর দ্রুত ফেরত পাঠাতে এবং শহীদ শরীফ ওসমান হাদী হত্যাকা-ে অভিযুক্ত ঘাতকদের বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছি। বাংলাদেশ এই জবাবের অপেক্ষায় আছে।’
উল্লেখ করা যেতে পারে যে, হাদী হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চেয়ে বাংলাদেশ এরইমধ্যে প্রয়োজনীয় আইনি নথিপত্র ভারতের কাছে পাঠিয়েছে। গত জুলাইয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছিলেন, হাদী হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদসহ তিন সন্দেহভাজনের প্রত্যর্পণের জন্য প্রয়োজনীয় নথি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে দেওয়া হয়েছে। তারা ভারতে আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন। বাংলাদেশ-ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী প্রয়োজন হলে বিচার চলমান অবস্থাতেও তাদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের সুযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।
আসলে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে পানি যতো না ঘোলা করছে মোদি সরকার তার সমপরিমাণ পানি ঘোলা করছে ভারতীয় তথাকথিত মূলধারার গণমাধ্যম এবং পশ্চিমবঙ্গের এক শ্রেণীর কট্টর হিন্দু। অবস্থা বেগতিক দেখে যখন দীনেশ ত্রিবেদী এবং নরেন্দ্র মোদির ঘাম ছুটেছে তখন এই জটিল পরিস্থিতিকে আরো জটিল করার জন্য ভারতের গণমাধ্যম নিত্য নতুন ফ্যাকড়া বের করছে। ভারতের অন্যতম বহুল প্রচারিত ইংরেজি দৈনিক ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ গত ১৬ আগস্ট যে খবর ফলাও করে ছেপেছে তার শিরোনাম হলো, ‘হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত।’

খবরে বলা হয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ভারতের আদালতই নেবে বলে জানিয়েছেন দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা। তবে বিষয়টি নিয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে আলোচনা চলছে এবং প্রত্যর্পণের বিষয়ে বর্তমান কঠোর অবস্থান থেকে কিছুটা সরে আসার পথ খোঁজা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তারা।
দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতের কাছে যে অনুরোধ জানিয়েছে, সেটি ভারতের আদালতের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
ভারতের একজন শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক বা কূটনৈতিকভাবে নেওয়া হবে না। ভারতের আদালতই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। আদালতের প্রক্রিয়ায় মূলত দেখা হবে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো ভারতের আইনেও অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় কি না।

খবরে আরো বলা হয়, শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে বাংলাদেশ মূলত ২০২৫ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদ-ের রায়কে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করছে। ওই রায়ে শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
তবে আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, ভারতে প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়া শুরু হলে ওই রায়কে বিভিন্ন দিক থেকে চ্যালেঞ্জ করা হবে। তাদের অন্যতম যুক্তি হবে, রায়টি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দেওয়া হয়েছে। ওই সময় সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন মুহাম্মদ ইউনূস।

॥দুই॥
এসব জিলাপির প্যাঁচ কষে কোনো লাভ হবে না। বাংলাদেশের অবস্থান খুব পরিষ্কার। এই অবস্থান বাংলাদেশ সরকারের এবং বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশিদের হত্যা করেছিলো একটি বিদেশি বাহিনী, অর্থাৎ পাক বাহিনী। কিন্তু ২০২৪ সালে বাংলাদেশিদের হত্যা করেছে অন্য বাংলাদেশিরা, যারা ক্ষমতায় ছিলো। মাত্র ২০ দিনে (২০২৪ সালের ১৬ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত) ১৪০০ মানুষকে হত্যা করে হাসিনা, তার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং হেলমেট বাহিনী বলে পরিচিত আওয়ামী গুন্ডারা তাদের হাত রঞ্জিত করেছে। দেশি-বিদেশি অসংখ্য স্বাক্ষী সাবুদ এবং অনেক দলিল দস্তাবেজ দিয়ে এই হত্যাকা- প্রমাণিত হয়েছে। শেখ হাসিনা চাইলে দেশে ফিরে উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। কিন্তু তাই বলে নরেন্দ্র মোদিকে দিয়ে বাংলাদেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করে কেসটিকে নরম করবেন, সেটি কোনো অবস্থায় হবে না। কথার কথা বলছি, সরকার যদি কিছুটা নমনীয় হয়ও, তাহলেও জনগণ কারো কথা মানবে না।

সরকার যে এব্যাপারে কতখানি কঠোর সেটি বোঝা যায় ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর নড়াচড়া দেখে। ১০ আগস্ট তিনি সর্বপ্রথম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে দেখা করেন। তারেক রহমানের পাশে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ূন কবির। এখন বোঝা যাচ্ছে যে, তারেক রহমান দীনেশ ত্রিবেদীকে বলেছেন যে, শেখ হাসিনা এবং ওসমান হাদীর ঘাতকদের প্রত্যর্পণের ব্যাপারটি যতক্ষণ সুরাহা না হচ্ছে, ততক্ষণ তিনি ভারতে সফরে যাচ্ছেন না।
তারেক রহমানের ভারত সফরকে ভারত সরকার যতখানি হালকাভাবে দেখেছিলেন, দীনেশ ত্রিবেদীর সাথে আলোচনার পর এই প্রবীণ পলিটিশিয়ান বুঝে ছিলেন যে, বিষয়টি অতো সহজ নয়। এব্যাপারে বাংলাদেশের অবস্থান যে কতখানি অনঢ় সেটি বোঝা যায় দীনেশ ত্রিবেদীর পরর্বর্তী অ্যাকশনে। তারেক রহমানের সাথে বৈঠক করে বৈঠক থেকে বের হয়ে তিনি মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে দিল্লির পথে উড়াল দেন।
ভারতের হাইকমিশনার বা রাষ্ট্রদূতরা সাধারণত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ বা পরামর্শ চাওয়ার জন্য অথবা নিজের মতামত দেওয়ার জন্য সাধারণত দিল্লির সাউথ ব্লকে যোগাযোগ করেন। কিন্তু এক্ষেত্রে দীনেশ ত্রিবেদী ১০ তারিখ বিকেল বেলা দিল্লি উড়ে যান এবং পরদনি (১১ অগাস্ট) সকাল বেলা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে দেখা করেন।

কিন্তু এর পর তিনি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে কী বলেন, সেটি আমরা জানি না। কিন্তু তিনি দিল্লি থাকাকালেই ইংরেজি পত্রিকা ‘দি ট্রিবিউন’ রিপোর্ট প্রকাশ করে যে, দিল্লি সফরের ক্ষেত্রে তারেক রহমান শর্ত দিয়েছেন। সেটি হলো, সর্বাগ্রে শেখ হাসিনা এবং তার দলবল, যারা জুলাই বিপ্লবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সাথে জাড়িত, তাদেরকে বাংলাদেশের কাছে ফেরত দিতে হবে। বাংলাদেশ আরো শর্ত জুড়ে দেয় যে, শুধু শেখ হাসিনারা নন, যারা ওসমান হাদিকে হত্যা করেছে তাদেরকেও ফেরত দিতে হবে। একমাত্র এর পরেই তারেক রহমান ভারত সফরে যেতে পারেননি।

॥তিন॥
সাংবাদিকতায় স্পেক্যুলেশন বা জল্পনা-কল্পনা থাকে। কিন্তু তাই বলে সেগুলো একেবারে ভিত্তিহীন হওয়া উচিত নয়। ভারতে এনডিটিভির মতো বিখ্যাত গণমাধ্যমেও বলা হয় যে, তারেক রহমান এই জুলাইয়ের হয় ২০/২১ অথবা ২১/২২ আগস্ট দিল্লি যাবেন। আর কি আশ্চর্য্য, আমাদের দেশেও একশ্রেণীর গণমাধ্যমে ভারতের গণমাধ্যমের ঐ খবরটি কোনো রকম ভেরিফাই করা বা যাচাই বাছাই না করেও সেই কথাটিই ছাপিয়ে দিলো যে, তারেক রহমান সম্ভবত ২০/২১ অথবা ২১/২২ আগস্ট দিল্লি যাবেন।

এখন তো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি পরিষ্কার করে দিলো। এখন আমাদের পলিটিসিয়ান এবং দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদদের এই মর্মে সোচ্চার হওয়া উচিত যে, মানুষ হত্যা ছেলের হাতের মোয়া নয়। ইচ্ছা হলো আর ১৪০০ মানুষ খুন করে ফেললাম। ইচ্ছা হলো আর শরীফ ওসমান হাদিকে খুন করে ফেললাম। বাংলাদেশে আওয়ামী ঘাতকরা ওসমান হাদিকে হত্যা করলো, আর সাথে সাথে ভারত তার বর্র্ডার টহলদারী শিথিল করে দিলো। শেখ হাসিনাসহ বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া হাজার হাজার অপরাধী ঐ লুজ বর্ডার দিয়ে সুড় সুড় করে ভারতে প্রবেশ করলেন। আর ভারত সরকারও তাদের সাদরে বরণ করল। ভারত সরকার হাসিনার এই গণহত্যাকে যদি প্রশ্রয় না দেবে তাহলে অজিত দোভালের মতো ভারতের এতো উঁচু লেভেলের মানুষ শেখ হাসিনাকে বরণ করেন কীভাবে? তাই যদি না হবে তাহলে ওসমান হাদির কিলাররা হালুয়াঘাট সীমান্ত পার হয় কীভাবে?

শুধু সীমান্ত পার হওয়া নয়, কলকাতায় এখন হাজার হাজার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী অভিজাত এলাকা সল্ট লেকসহ বিভিন্ন জায়গায় সুরম্য অট্টালিকায় রাজার হালে বাস করছেন কীভাবে? বাংলাদেশ থেকে যারা চিকিৎসা বা ব্যবসা উপলক্ষে কলকাতা যান তাদের অনেকের সাথেই আওয়ামী নেতাকর্মীর দেখা হয়েছে। তাদের রাজসিক চাল চলন দেখে আমাদের বাংলাদেশি ট্রাভেলারদের তো চক্ষু চড়ক গাছ!

তবে তাদের বাবুয়ানার দিন শেষ। মনে হচ্ছে, বাংলাদেশ সরকারের কঠোর অবস্থানে এবার কাজ হচ্ছে। শেখ হাসিনার ১৫ আগস্টের কর্মসূচি মাঠে মারা গেছে। ১২ আগস্ট থেকে হাসিনা বা আওয়ামী লীগের কোনো কর্মকর্তা আর মিডিয়ায় আসতে পারছেন না। মনে হচ্ছে, ভারত সরকার তাদের এসব অপকর্ম করতে বারন করেছে। এমন অবস্থায় এবার তাদেরকে হয় অনন্তকাল ভারতে থাকতে হবে, না হলে বাংলাদেশে ফিরলে ঢুকতে হবে সোজা লাল দালানে।

ঊসধরষ:লড়ঁৎহধষরংঃ১৫@মসধরষ.পড়স



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews