খোঁজ নিয়ে জানা গেল, কোরবানির ঈদের কারণে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দক্ষিণাঞ্চলের গরু ব্যবসায়ীরা রংপুরসহ আশপাশের জেলাগুলোর হাট থেকে প্রতিদিন শত শত গরু কিনছেন। এসব গরুর কিছু সঙ্গে সঙ্গে ট্রাকে করে পাঠানো হচ্ছে। বাকি গরু রাখা হচ্ছে আশানুরের গরুর হোটেলে। এখানে গরুকে খাওয়ানোর জন্য খড় ও ভুসির আলাদা ব্যবস্থাও আছে।

আশানুরের গরুর হোটেলে তিনি ও তাঁর বাবা ছাড়াও ছোট ভাই শাহিন মিয়া, ভগ্নিপতি আলাল মিয়াও দেখাশোনা করেন। শাহিন প্রথম আলোকে বলেন, ব্যবসায়ী মূলত নিরাপত্তার বিষয়টি দেখেন। তাঁরা এ বিষয়ে সতর্ক থাকছেন। এখন পর্যন্ত গরু হারিয়ে গেছে বা এ রকম কোনো সমস্যা হয়নি।

শাহিন মিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময় কয়েকজন গরু ব্যবসায়ীকে সেখানে দেখা গেল। সুরুজ মিয়া নামে চট্টগ্রামের এক ব্যবসায়ী বললেন, তাঁরা রংপুরের শঠিবাড়ি, লালবাগ, বেদগাড়ি, বুড়িরহাট, পাওটানা ও লালমনিরহাটের বড়বাড়ি হাট থেকে গরু কিনেছেন। আগে গরু কেনার পর তাঁদের পরিবহন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়তে হতো। অনেক সময় বেশি টানাটানির কারণে গরু ক্লান্ত হয়ে যেত। এখন গরুর আবাসিক হোটেলে রেখে সুবিধাজনক সময়ে পরিবহন করতে পারছেন।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews