বিরাটনগর থেকে প্রতিনিধি : ভুটানের ম্যাচ শেষ হতে না হতেই শুরু হয়ে গেল পরের ম্যাচের বিল্ডআপ! নেপাল-বাংলাদেশ ম্যাচের হাওয়া। শুরু ভুটানের কোচ সুং জে লিকে দিয়েই। দুই প্রতিপক্ষের সঙ্গেই খেলেছে তাঁর দল। ম্যাচ শেষের সংবাদ সম্মেলনে তাই নেপালি সাংবাদিকরা জানতে চাইলেন, শক্তিতে কারা এগিয়ে? নেপাল না বাংলাদেশ? ভুটানের কোরীয় কোচের জবাব, ‘নেপাল শারীরিকভাবে একটু এগিয়ে। তবে খেলার মানে দুই দলই প্রায় একই রকমের।’ দুই দলের ম্যাচটি হবে আগামীকাল। এই ম্যাচেই গ্রুপ সেরার নির্ধারণ হবে। সেমিফাইনালে ভারতকে এড়ানোর অঙ্কে এই ম্যাচ খুব গুরুত্বপূর্ণ।

তাই ভুটান ম্যাচে গোল গড়ে নেপালকে টপকে যেতে চেয়েছিল বাংলাদেশ। সেটা না হওয়ায় হয়তো কিছুটা আক্ষেপ আছে গোলাম রব্বানী ছোটনের। কিন্তু তিনি হতাশ নন মোটেও, ‘দক্ষিণ এশিয়ায় এখন সবাই ফুটবলের চর্চা করে সারা বছর। আমাদের মতো। তাই সেমিফাইনালে ওঠাও অনেক কঠিন এখন। পুরো ম্যাচ আমরা নিয়ন্ত্রণ করেছি আর ভুটান আগাগোড়া রক্ষণ সামলে খেলেছে। এর পরও গোল বাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা ছিল আমাদের। মেয়েরা শতভাগ দিয়ে চেষ্টা করেছে। গোল করার আরো সুযোগও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু হয়নি। তাদের পারফরম্যান্সে আমি খুশি।’ ভুটানের রক্ষণ ভেঙে জয় ছিনিয়ে নেওয়া আসলে চ্যালেঞ্জিং ছিল। নেপালও পড়েছিল সেই চ্যালেঞ্জের মুখে। এখন গ্রুপ সেরা হতে গেলে নেপালকে হারাতে হবে, এটা কি একটু কঠিন শর্ত হয়ে গেল? বাংলাদেশ কোচের কৌশলী জবাব, ‘আমরা ভালোভাবে শুরু করেছি, প্রথম ম্যাচ খেলেছি। নেপালও শক্তিশালী দল। আমি এটুকু বলতে পারি, এই ম্যাচটি খুব উপভোগ্য হবে। ম্যাচে খুব লড়াই হবে।’ 

এই লড়াইয়ের আঁচ গতকাল থেকেই পাওয়া যাচ্ছে বিরাটনগরে। সেদিনই হয়তো স্বাগতিক সমর্থকের উপস্থিতিতে অন্য রূপে হাজির হবে ‘শহীদ রঙ্গশালা’।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews