গত বুধবার প্রথম আলোয় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বাঁধের কুসুমবাগের পেছন থেকে পূর্ব বড়হাট এলাকার নদসংলগ্ন মসজিদের পশ্চিম পর্যন্ত দেড় থেকে দুই হাজার ফুট এলাকার বিভিন্ন স্থানে বাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছে। ধসের কারণে ইতিমধ্যে প্রতিরক্ষা বাঁধসংলগ্ন বেশ কিছু বাড়ির লোকজন সরে গেছে। মনু নদ থেকে ড্রেজিং মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে বাঁধে ধস দেখা দিয়েছে বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন। বাঁধে ধস দেখা দেওয়ার পর বালু উত্তোলন বন্ধ করা হয়েছে। কিন্তু বাঁধ মেরামতে এখনো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এখন ধস মেরামতে জরুরি ভিত্তিতে উদ্যোগ নিতে হবে।

এ ছাড়া মনু নদ থেকে ড্রেজিং মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে। নদীতে বালুমহালের ইজারা নীতিমালা অনুযায়ী, ড্রেজার মেশিন দিয়ে নদীগর্ভ থেকে বালু তোলা নিষিদ্ধ। অপরিকল্পিতভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু তোলা হলে নদীর গতি পরিবর্তিত হয় এবং নদীর দুই পাড় ভেঙে যায়। কিন্তু আমাদের দেশে দেখা যায়, কোনো নিয়মনীতির ধার না ধেরে অনেকে নিজেদের স্বার্থে নদ-নদী থেকে বালু তুলছেন। অনেক সময় এ জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো অনুমতিও নেওয়া হয় না। এই বালু উত্তোলনের মাধ্যমে একদল মানুষ অবৈধভাবে টাকা কামাচ্ছে, আর অন্যদিকে মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে আশ্রয়হীন হয়ে পড়ছে। এভাবে বেশি দিন চলতে পারে না।

এখন শহর রক্ষা বাঁধ মেরামতের জন্য মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডকে উদ্যোগী হতে হবে। এটা তাদেরই দায়িত্ব।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews