আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধার যে সংজ্ঞা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন ২০২৬–এ নির্ধারিত করা হয়েছে, সেই সংশোধনীতে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের এদেশীয় দোসর—তৎকালীন মুসলিম লীগ, তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী, তৎকালীন নেজামে ইসলামী এবং আল বদর, আল শামস বাহিনী, রাজাকারদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের যে সমস্ত দামাল ছেলেরা, যাঁরা সংগ্রাম করেছেন, তাঁদের বীর মুক্তিযোদ্ধা বলা হয়েছে। এ আইন এই সংসদে পাস হয়েছে। সেই আইনে জামায়াতে ইসলামী কার্যত বিরোধিতা করেনি। এনসিপির পক্ষ থেকে লিখিতভাবে অনুসমর্থন জানানো হয়েছে।’