দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ থালাপতি বিজয়ের সঙ্গে প্রায় ২৭ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানতে যাচ্ছেন তার স্ত্রী সংগীতা স্বর্ণালিঙ্গম। বিচ্ছেদের আবেদনে সংগীতা অভিযোগ করেছেন, এক অভিনেত্রীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছেন বিজয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সেই অভিনেত্রী নাকি দক্ষিণি তারকা তৃষা কৃষ্ণন।
এই গুঞ্জনের মধ্যেই সম্প্রতি এক বিয়ের অনুষ্ঠানে বিজয় ও তৃষাকে একসঙ্গে দেখা গেছে। তাঁদের একসঙ্গে প্রবেশের দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে বিজয়ের দেহরক্ষী অরুণ নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি রহস্যময় বার্তা পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, “সব গুজবকে পেছনে ফেলার সময়।” কিছু সময় পর পোস্টটি মুছে ফেলেন তিনি। পরে আরেকটি পোস্টে বিজয়কে হার্ট সাইন করতে দেখা যায় এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছিল ২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া বিজয়–তৃষা অভিনীত ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র ‘ঘিলি’–এর জনপ্রিয় গান ‘কোক্কারাক্কো’। অনেক ভক্তই এটিকে দুজনের সম্পর্কের ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন।
এদিকে সংগীতার করা একটি বিবাহবিচ্ছেদের আবেদনপত্রের কপি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ওই আবেদনে সংগীতা উল্লেখ করেন, ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে তিনি বিজয়ের এক অভিনেত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পারেন। তাঁর দাবি, সম্পর্কটি শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও বিজয় তা রাখেননি, যার ফলে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।
আবেদনে আরও বলা হয়েছে, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও আর্থিক নিরাপত্তা নিয়েও তিনি সমস্যায় পড়েছেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অভিনেত্রীর সঙ্গে বিজয়ের প্রকাশ্য উপস্থিতি ও সামাজিক মাধ্যমে ছবি প্রকাশের কারণে তিনি এবং তাঁদের সন্তানেরা অপমানিত বোধ করেছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের ২৫ আগস্ট বিজয় ও সংগীতার বিয়ে হয়। সংগীতা শ্রীলঙ্কান তামিল বংশোদ্ভূত এবং লন্ডনভিত্তিক এক উদ্যোক্তার কন্যা। দুই দশকের বেশি সময়ের এই দাম্পত্য জীবনে তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে। তাঁদের ছেলে জেসন সঞ্জয় শিগগিরই তামিল চলচ্চিত্রে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছেন।
চাইলে আমি এই খবরের আরও ছোট সংস্করণ (ডেস্ক কপি) বা আরও শক্তিশালী কয়েকটি বিকল্প হেডলাইনও করে দিতে পারি।