ছবি: সংগৃহীত







বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতী দেশের যে ভয়াবহ অবস্থা সে কারণে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম কোনও পরিস্থিতিতেই ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) আশপাশে ভিড় করবো না। এরপর সেখানে যারা গেছে আমি মনে করি শুধুমাত্র চেহারা প্রদর্শণ এর জন্য গেছে।













আজ বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে গুলশানের ফিরোজা ভবনে সামনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।













দুই শর্তে ৬ মাসের জন্য সাজা স্থগিত করে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়েছে সরকার। তাই দলীয় নির্দেশ উপেক্ষা করে নেত্রীকে দেখতে হাসপাতাল চত্বরে জড়ো হয়েছিল দলটির নেতাকর্মীরা।

এর আগে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে  করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে হাসপাতাল বা গুলশানের বাসভবনের সামনে ভিড় না করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।







মির্জা আব্বাস বলেন, খালেদা জিয়াকে বের করা আনার  আমাদের কোনও কৃতিত্ব নেই, ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) আত্মীয় স্বজনরাই তাকে বের করেছেন। তাদের মাধ্যমে ম্যাডামে বের হয়ে আসছেন। আমারা আল্লাহর কাছে দোয়া করি ম্যাডাম সুস্থ থাকুক। কিন্তু উনি সুস্থ থাকার জন্য যা করার আজকে আমরা তা করতে পারি নাই। এখন বাড়ি ঘর থেকে ভিড় কমালে তিনি ভালো থাকবেন।



এর আগে বুধবার (২৫ মার্চ) বেলা ১২টার দিক থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল চত্বরে বিএনপি নেতাকর্মীরা সমবেত হতে থাকেন। পুলিশ সদস্যরা বিএনপির নেতাকর্মীদের হাসপাতাল চত্বর ত্যাগ করার আহ্বান জানান বারবার। পুলিশ করোনাভাইরাসের সংক্রমণের সতর্কতা উল্লেখ করলেও নেতাকর্মীরা সেখানেই অবস্থান করেন।

পরে খালেদা জিয়া বের হওয়ার পর ভিড় এতটাই বাড়ে যে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে  হিমশিম খেতে হয়।  বিএসএমএমইউ থেকে খালেদা জিয়াকে করতেই প্রায় বিশ মিনিট লেগে যায়। পরে ফার্মগেট পর্যন্ত তারা খালেদা জিয়ার গাড়িবহরের সঙ্গে দৌড়াতে দৌড়াতে আসে। তবে ফার্মগেট এলাকা থেকে তাদের সরিয়ে দেয়া হয়। পরে নেতাকর্মীরা তার বাসার সামনে এসেও ভিড় করে।

এসএস

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতী দেশের যে ভয়াবহ অবস্থা সে কারণে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম কোনও পরিস্থিতিতেই ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) আশপাশে ভিড় করবো না। এরপর সেখানে যারা গেছে আমি মনে করি শুধুমাত্র চেহারা প্রদর্শণ এর জন্য গেছে।আজ বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে গুলশানের ফিরোজা ভবনে সামনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। দুই শর্তে ৬ মাসের জন্য সাজা স্থগিত করে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়েছে সরকার। তাই দলীয় নির্দেশ উপেক্ষা করে নেত্রীকে দেখতে হাসপাতাল চত্বরে জড়ো হয়েছিল দলটির নেতাকর্মীরা। এর আগে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে হাসপাতাল বা গুলশানের বাসভবনের সামনে ভিড় না করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মির্জা আব্বাস বলেন, খালেদা জিয়াকে বের করা আনার আমাদের কোনও কৃতিত্ব নেই, ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) আত্মীয় স্বজনরাই তাকে বের করেছেন। তাদের মাধ্যমে ম্যাডামে বের হয়ে আসছেন। আমারা আল্লাহর কাছে দোয়া করি ম্যাডাম সুস্থ থাকুক। কিন্তু উনি সুস্থ থাকার জন্য যা করার আজকে আমরা তা করতে পারি নাই। এখন বাড়ি ঘর থেকে ভিড় কমালে তিনি ভালো থাকবেন। এর আগে বুধবার (২৫ মার্চ) বেলা ১২টার দিক থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল চত্বরে বিএনপি নেতাকর্মীরা সমবেত হতে থাকেন। পুলিশ সদস্যরা বিএনপির নেতাকর্মীদের হাসপাতাল চত্বর ত্যাগ করার আহ্বান জানান বারবার। পুলিশ করোনাভাইরাসের সংক্রমণের সতর্কতা উল্লেখ করলেও নেতাকর্মীরা সেখানেই অবস্থান করেন। পরে খালেদা জিয়া বের হওয়ার পর ভিড় এতটাই বাড়ে যে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে হিমশিম খেতে হয়। বিএসএমএমইউ থেকে খালেদা জিয়াকে করতেই প্রায় বিশ মিনিট লেগে যায়। পরে ফার্মগেট পর্যন্ত তারা খালেদা জিয়ার গাড়িবহরের সঙ্গে দৌড়াতে দৌড়াতে আসে। তবে ফার্মগেট এলাকা থেকে তাদের সরিয়ে দেয়া হয়। পরে নেতাকর্মীরা তার বাসার সামনে এসেও ভিড় করে। এসএস



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews