অন্য দিন শুটিংয়ের জন্য ভোরে ঘুম ভাঙলেও বিরতির দিনগুলোতে ঘুমের অভাব পূরণ করতে চান কেয়া পায়েল। তাই এদিন ফোনে থাকে না কোনো অ্যালার্ম। দিনটি অভিনেত্রীর কাছে ‘অ্যালার্ম ফ্রি ডে’। ছোট ভাই-বোনদেরও মায়ের বারণ, কোনো শব্দ করা যাবে না। ঘুম ভাঙতে ভাঙতে তাই দুপুর। উঠেই ছোট বোনের সঙ্গে খেলাধুলা, আঁকাআঁকি করেন। বিকেলে নিজের নতুন ব্যবসা বিউটি পারলারে যান। রাতে এসে সবার সঙ্গে আড্ডা দিয়ে খেয়ে আবার ঘুম। কেয়া পায়েল বলেন, ‘ছুটিটা খুব প্রয়োজন। টানা কাজের ক্লান্তি শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রভাব ফেলে। সুস্থ থাকতে ঘুম প্রয়োজন। দুপুরে মা প্রিয় খাবার রান্না করেন, এমন না যে মা ৮-৯ পদ রান্না করেন, মায়ের হাতে একটা শাকভাজিও অনেক মজা। এতেই প্লেটের পর প্লেট ভাত চলে যায়।’
ছুটির দিনে বই-সিনেমা
স্কুল–কলেজে থাকতে প্রচুর বই পড়তেন কেয়া পায়েল। হুমায়ূন আহমেদের বই বেশি পড়া হতো। কেয়া পায়েল বলেন, ‘কিন্তু এখন চিত্রনাট্য পড়তে পড়তে দিন কেটে যায় (হাসি)। তাই আর বই পড়া হয় না। তবে মুদ্রিত বই না পড়লেও বাইরের কোনো বই নিয়ে আলোচনা হলে অনলাইনে কিনে পিডিএফ পড়ার চেষ্টা করি। তবে সিনেমা দেখার অভ্যাস কমেনি, বিদেশের ওটিটির কাজগুলো দেখা হয়। সবশেষ দেখেছি “খোদা হাফেজ”।’