ঢাকা, ৯ মে – হাম এবং সাধারণ জ্বরের পার্থক্য প্রাথমিক পর্যায়ে বুঝতে না পেরে অনেক সময় অভিভাবকরা দুশ্চিন্তায় পড়েন। অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ জ্বরকে হাম মনে করে আতঙ্কিত হতে দেখা যায় আবার কখনও হামের লক্ষণকে গুরুত্ব না দিয়ে সাধারণ ভাইরাল জ্বর ভেবে অবহেলা করা হয়। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এই রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

তাই হঠাৎ জ্বর এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। হামের প্রাথমিক পর্যায়ে রোগীর শরীরে তীব্র জ্বর লক্ষ্য করা যায় যা অনেক সময় ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এর সাথে কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া এবং চোখ লাল হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়।

এই রোগের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো মুখ গহ্বরের ভেতরে লাল পটভূমিতে নীলচে সাদা রঙের ছোট দাগ বা কপলিক স্পট দেখা যাওয়া। এছাড়া শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা, ক্লান্তি ও খাবারের প্রতি অনীহা তৈরি হতে পারে। পরবর্তীতে শরীরে লালচে ও ছোপ ছোপ র‌্যাশ বা দানা দেখা দেয়। সাধারণত চুলের গোড়া বা মুখমণ্ডল থেকে শুরু হয়ে এই দানাগুলো ঘাড়, হাত ও পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

এই অবস্থা চার থেকে সাত দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং এ সময় জ্বরের তীব্রতা আরও বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। সঠিক চিকিৎসা ও সচেতনতার অভাবে হাম থেকে নিউমোনিয়া, কানের সংক্রমণ কিংবা ডায়রিয়ার মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। যারা আগে টিকা গ্রহণ করেননি বা আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে এসেছেন তাদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।

এস এম/ ৯ মে ২০২৬



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews