আজ বৈশাখের তিন তারিখ। বাংলা নববর্ষের তৃতীয় দিন। পরপর দুই বছর নববর্ষ পালন করা যায়নি করোনা অতিমারির কারণে। দু’বছর পর এবার ১৪২৯ সালটি যথাযোগ্য মর্যাদায় বরণ করা হয়েছে। করোনা এখন কিছুটা স্তিমিত। অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের পথে যদিও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বেশকিছু অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে, তবুও বলা যায় জনজীবনে নাগরিক স্বস্তি বিরাজ করছে।
তবে পুরো উপমহাদেশের দেশগুলোতেই এখন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা। পাকিস্তানে মুসলিম লীগের শাহবাজ শরীফ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। ইমরান খান নিয়াজি ক্ষমতাচ্যুত। মূল্যস্ফীতির হার অনেক। বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্য মাত্রাতিরিক্ত। পাকিস্তান ঋণের বোঝায় ন্যুব্জ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ঋণ দিতে গড়িমসি করছে।
‘মানি লন্ডারিং’ ইস্যুতে পাকিস্তান এখন ‘গ্রে’ লিস্টে। আর এক ধাপ এগোলেই ‘ব্ল্যাক লিস্টেড’ হবে। এদিকে শ্রীলংকার অবস্থা আরও খারাপ। বেশ কিছুদিন ধরে শ্রীলংকার জনগণ গোতাবায়ে রাজাপাকসের পদত্যাগ চেয়ে তুমুল আন্দোলন গড়ে তুলেছেন। খাদ্য, ওষুধ, জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের জন্য চলছে হাহাকার। শিশুখাদ্যের ভীষণ অভাব। নেপাল, আফগানিস্তান, মালদ্বীপের অবস্থাও ভালো নয়।
সার্কভুক্ত দেশগুলোর এ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে আমরা পালন করলাম নববর্ষ। নববর্ষে নগদের চাহিদা বেড়েছে। এটা বোঝা যায় বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে। প্রতিবছর ঈদের সময় বাংলাদেশ ব্যাংক চাহিদা মোটানোর জন্য নতুন নোট বাজারে ছাড়ে। গেলবারের তুলনায় এবার নতুন নোট ছাড়া হবে দেড়গুণেরও বেশি।
গেল বছর ঈদ উপলক্ষ্যে নতুন নোট বাজারে ছাড়া হয়েছিল ১৪ হাজার কোটি টাকার। এবার ছাড়া হবে ২৩ হাজার কোটি টাকার। এবার গেল দুই বছরের তুলনায় ঈদের বাজার বেশি জমবে। গেল দুবছর মানুষ স্বস্তিতে ঘর থেকে বেরোতে পারেনি। তবে বেচাকেনার দৃষ্টিতে একটা সমস্যা হয়ে গেছে। ঈদ ও নববর্ষ খুবই কাছাকাছি সময়ে পড়েছে। নববর্ষ পালিত হয়েছে। আর কয়েকদিন বাদেই পবিত্র ঈদ। দুই উপলক্ষ্যেই বাজার করার মতো সামর্থ্য মধ্যবিত্তের এখনো হয়নি।
বহু মানুষ এখনো চাকরিচ্যুত, কর্মচ্যুত, ব্যবসাচ্যুত ও বেকার। অনেকেই চলে গেছে দারিদ্র্যসীমার নিচে। সরকার খোলা বাজারে চাল, গম, তেল, খেজুর, চিনি, ছোলা ইত্যাদি বিক্রি করছে। এসব কেনার জন্য এখন মধ্যবিত্তও টিসিবির (ট্রেডিং করপোরেশন অফ বাংলাদেশ) ‘ট্রাক সেলের’ লাইনে দাঁড়াচ্ছে। এর বড় কারণ মূল্যস্ফীতি। আগের তুলনায় মূল্যস্ফীতির হার বেশ কিছুটা বেশি। আন্তর্জাতিক বাজারে চাল, গম, তেল, চিনি ইত্যাদির দাম চড়া। যুদ্ধই এর প্রধান কারণ।
উপরন্তু পাওয়া যায় না জাহাজ, যার মাধ্যমে পণ্য দেশে আসবে। সরকার শুল্ক, ভ্যাট ইত্যাদি হ্রাস করেছে। কিন্তু এতেও কাজ হচ্ছে না। কারণ শুল্ক ও ভ্যাট হ্রাসের সুবিধা খেয়ে ফেলছে আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্যস্ফীতি। সেই সঙ্গে রয়েছে ডলারের দামের ঊর্ধ্বগতি। বহুদিন ৮৫-৮৬ টাকায় ডলারের মূল্য স্থির ছিল। এখন তা ৯০ টাকারও উপরে। এই প্রেক্ষাপটে এবারের ঈদের বাজার যতটুকু জমবে বলে আশা করা হয়েছিল, ততটুকু নাও জমতে পারে।
তবে রেমিট্যান্সের পরিমাণ যদি আশানুরূপ বাড়ে, কোম্পানিগুলো যদি বোনাস দেয় আগের হারে, যদি তৈরি পোশাক কারখানায় ঠিকমতো বেতন-ভাতা দেওয়া হয়, তাহলে বাজারে ‘ক্যাশের’ আমদানি বাড়তে পারে।
এদিকে দেশের কিছু অঞ্চলে, বিশেষ করে সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনায় বোরো ফসল হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত। কৃষকের অবস্থা খুবই খারাপ। তারা ঠিকমতো ঈদ পালন করতে পারবে কিনা এ নিয়ে সংশয় জাগছে। ভালো খবর আছে তৈরি পোশাক খাতে। এ খাতের রপ্তানি যথেষ্ট পরিমাণে বাড়ছে। বহু অর্ডার আসছে।
খবরে দেখলাম চীন থেকে ‘অর্ডার’ বাংলাদেশে স্থানান্তরিত হচ্ছে। রপ্তানির চাহিদা মেটাতে গিয়ে পোশাক খাত হিমশিম খাচ্ছে। গ্যাসের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তুলা ও সুতার দাম আন্তর্জাতিক বাজারে চড়া। এসব কারণে তৈরি পোশাক খাতের ব্যবসায়ীরা চোখে-মুখে অন্ধকার দেখছেন। এদিকে হঠাৎ করে বেড়ে গেছে আমদানির পরিমাণ, যা উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক নড়েচড়ে বসেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক নড়েচড়ে বসার আগে শ্রীলংকার দেউলিয়া অবস্থা দেখে অর্থনীতিবিদ ও রাজনীতিকদের কেউ কেউ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। সরকার, বিশেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এর কড়া জওয়াব দিয়েছেন। অন্যরাও দিচ্ছেন। এমনকি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, যারা আমাদের প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক ঋণ দেয়, তারাও বলেছে, শ্রীলংকার মতো বাংলাদেশের একই ভাগ্যবরণের কোনো আশঙ্কা নেই। এখানে বৈদেশিক ঋণ সহ্যসীমার মধ্যে রয়েছে।
এসব সত্ত্বেও অনেকেই মনে করেন, বাংলাদেশের যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করা দরকার রয়েছে। কারণ কতগুলো সূচক ততটা স্বস্তিজনক নয়। বিশেষ করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। এখনো আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৪৪-৪৫ বিলিয়ন ডলারের মতো, যা ইতোমধ্যে অবশ্য ৫০ বিলিয়ন ডলারে উঠবে বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু আমদানির পরিমাণ টাকার অঙ্কে এত বেড়েছে যে তাতে ডলারের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
ফলে ডলারের দাম খোলা বাজারে যথেষ্ট বেড়েছে। অনেক ব্যাংক ডলারের অভাবে ঋণপত্র খুলতে অনীহা দেখাচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক পরিস্থিতি সামাল দিতে নিয়মিতভাবে ডলার বিক্রি করছে, ব্যাংকের কাছে যাতে ডলারের মূল্য স্থিতিশীল থাকে। প্রশ্ন হলো, হঠাৎ করে আমদানি এত বাড়ার কারণ কী? এটা কি সত্যি সত্যি আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং পরিমাণে আমদানি বৃদ্ধির কারণে, নাকি আমদানির আড়ালে টাকা পাচার হচ্ছে? এসব প্রশ্ন উঠছে।
এর মধ্যে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ ব্যাংক ‘বিলাসী পণ্য আমদানি কমানোর উদ্যোগ’ নিয়েছে। উদ্দেশ্য, অস্থিতিশীল ডলারের বাজারকে স্থিতিশীল করা। খবরে দেখা যাচ্ছে, এখন থেকে আমদানির বিপরীতে ঋণপত্রে (এলসি) নগদ মার্জিন দিতে হবে ২৫ শতাংশ। অর্থাৎ ১০০ টাকার পণ্যের জন্য ঋণপত্র খুলতে হলে ২৫ টাকা নগদ জমা রাখতে হবে ব্যাংকে। বলাই বাহুল্য, এত টাকা নগদ জমা রেখে অনেক ব্যবসায়ীই ঋণপত্র খুলতে আগ্রহী হবেন না।
ব্যবসায়ীরা সাধারণত এত নগদ টাকা ব্যাংকে আটকে রাখতে চান না। তারা কম মার্জিন দিয়ে ঋণপত্র খোলেন। পণ্য বন্দরে পৌঁছলে টাকা দিয়ে তা বন্দর থেকে ছাড় করেন। এখন থেকে মার্জিন হবে শতকরা ২৫ টাকা নগদ। অবশ্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস আমদানি বাদে এ নিয়ম চালু হবে। উদ্দেশ্য, বিলাসী পণ্য আমদানিকে নিরুৎসাহিত করা। কী প্রেক্ষাপটে এ সিদ্ধান্ত?
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই আট মাসে দেশে প্রবাসী আয় এসেছে ১ হাজার ৩৪৪ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ প্রবাসী আয় প্রায় ২০ শতাংশ কম। একটি দৈনিকের খবরে বলা হয়েছে, উপরোক্ত সময়ে রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২০৭ কোটি ডলারে। রপ্তানি বৃদ্ধির পরিমাণ প্রায় ৩০ শতাংশ। অর্থাৎ রপ্তানি ও প্রবাসী আয় মিলিয়ে হয় ৪ হাজার ৫৫১ কোটি ডলার।
অথচ বিপরীতে একই সময়ে আমদানির পরিমাণ হচ্ছে ৫ হাজার ৪৩৭ কোটি ডলার। এর অর্থ, ঘাটতির পরিমাণ বিশাল। এর পরিণতি কী? শেষ পর্যন্ত দেখা যাবে বছর শেষে চলতি হিসাবে বিশাল ঘাটতি হবে, সমস্যা হবে ‘ব্যালেন্স অব পেমেন্ট’। এর মূল কারণ কী?
অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে আমদানি বৃদ্ধি। খবরটিতে বলা হয়েছে, বছরের প্রথম আট মাসে গড়ে আমদানি হয়েছে ৬৭৯ কোটি ডলার। এ ধারা অব্যাহত থাকলে বছর শেষে অর্থাৎ ২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোট আমদানির পরিমাণ দাঁড়াবে ৮১ বিলিয়ন ডলারে। বিশাল পরিমাণের আমদানি। এর বাড়ি কোথায়? এত বেশি পরিমাণ আমদানি যে তা হবে একটি রেকর্ড।
এটা ঠিক, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বেড়েছে। কিন্তু এতে এমন বিশাল পরিমাণের আমদানি হবে, এটা মোটেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। আর যদি অপরিশোধিত তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে এত পরিমাণ আমদানির কারণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়, তাহলে তো ‘ডাবল’ সতর্ক হতে হবে। কারণ তেলের বাজার অস্থিতিশীল। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ কতদিন চলবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নানা ধরনের ‘নিষেধাজ্ঞা’ কতদিন চলবে, তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে খাদ্যশস্য আমদানি এবং তেল আমদানির ব্যয় আরও বাড়তে পারে। এটি হলে তা হবে বিরাট বোঝা।
ডলারের মূল্য এমনিতেই অবমূল্যায়িত হচ্ছে। আরও যদি এর মূল্য বাড়ে, তাহলে আমদানির খরচ আরও বাড়বে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে। আবার প্রবাসী আয় খাতেও প্রবৃদ্ধি কমে আসতে পারে। কারণ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে অনেক দেশেই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ফলে প্রবাসী আয়ে ধাক্কা লাগতে পারে। এ অবস্থায় অনেক ব্যবস্থার মধ্যে আমদানির পরিমাণ কমানো হবে অন্যতম ব্যবস্থা।
বিলাসী পণ্য আমদানি নিরুৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে এসব পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ক্যাশ মার্জিনের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। এটা ভালো উদ্যোগ। কিন্তু যথেষ্ট নয়। পুরো আমদানি তালিকাই পরীক্ষা-নিরীক্ষার আওতায় আনা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। কারণ বাজারে গেলে পরিষ্কার বোঝা যায়-এমন সব পণ্য বিদেশ থেকে আমদানি করে বাজারজাত করা হচ্ছে, যার কোনো প্রয়োজন নেই। যেমন ‘কুল-বড়ই’। আমাদের প্রচুর পরিমাণ কুল-বড়ই আছে।
তারপরও বিদেশ থেকে এসব ফল কেন আমদানি করতে হবে? এটা একটা ছোট উদাহরণ দিলাম বোঝানোর জন্য। আমদানির তালিকা ধরে বিচার-বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে অনেক পণ্য আমদানির কোনো প্রয়োজনই নেই। অতএব এগুলোর আমদানি নিষিদ্ধ করা যেতে পারে, নিদেনপক্ষে এসব পণ্য আমদানি ক্ষেত্রে ‘এলসি মার্জিন’ আরও বাড়ানো যেতে পারে।
দ্বিতীয়ত, ব্যাংকগুলোকে দেখতে হবে ‘ওভার ইনভয়েসিং’ হচ্ছে কিনা। আমদানি ব্যাংকের সব শাখার মাধ্যমে হয় না। বৈদেশিক শাখার মাধ্যমে আমদানি ‘এলসি’ খোলা হয়। এদের সংখ্যা খুব বেশি নয়। এসব শাখার ‘এলসি’কে নিবিড় পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা দরকার, যাতে ‘ওভার ইনভয়েসিং’য়ের ঘটনা চিহ্নিত করা যায়। কারণ অবস্থাদৃষ্টে সন্দেহ তৈরি হয়েছে যে, এ মুহূর্তে দেশ থেকে ওভার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে টাকা পাচার হচ্ছে।
এদিকে আরেক দুর্ভাবনার ক্ষেত্র হচ্ছে ভর্তুকি। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেল, সয়াবিন, খাদ্যশস্য, সার, কীটনাশক ইত্যাদি পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেলেই দেশের ভেতর ভর্তুকি বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি হয়। যেমন সারের মূল্য। সারের মূল্য বৃদ্ধির ফলে ইতোমধ্যেই ২৭ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি দিতে হয়েছে।
খবরে প্রকাশ, ২০২১-২২ অর্থবছরে আরও ৩ হাজার কোটি টাকা সারে ভর্তুকির জন্য লাগবে। এর অর্থ হচ্ছে, সারে ভর্তুকি ব্যয় হবে মোট ৩০ হাজার কোটি টাকা, যা গত বছরের তুলনায় চারগুণেরও বেশি। বিদ্যুৎ, গ্যাস ইত্যাদির মূল্যবৃদ্ধির কথা উঠেছে। হয় মূল্যবৃদ্ধি হবে, নয় তো ভর্তুকি বাড়বে। খাদ্যশস্যের ভর্তুকি বাড়বে। দেখা যাবে জুন শেষে ভর্তুকির পরিমাণ পৌঁছাবে রেকর্ড পর্যায়ে। তাহলে বাজেট ঘাটতি বাড়বে। নানা দুশ্চিন্তার মধ্যে অর্থমন্ত্রীকে দিন কাটাতে হবে বৈকি!
ড. আর এম দেবনাথ : অর্থনীতি বিশ্লেষক; সাবেক শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
rmdebnath@yahoo.com