২৮ ফেব্রুয়ারি ইফতার করে বসেছিলাম। হঠাৎ বড় ভাইয়ের রুমমেটের ফোন। তিনি যা বললেন, শুনে আমার শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল। আবদুল্লাহ নামের একজন নাকি তাঁকে ফোন করে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় আমার ভাই মারা গেছেন, তিনি নিজেও আহত হয়ে পড়ে আছেন। খবরটা দিয়ে নাকি নিজের জীবন বাঁচানোর জন্য আকুতি জানাচ্ছিলেন তিনি।
কী করব, বুঝতে পারছিলাম না। একটু আগেই যে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়েছে, সেটার সঙ্গে যে আমার ভাইয়ের নামও জড়িয়ে যাবে, কল্পনাও করিনি।
আমরা তিন ভাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান শহরে থাকি। একই শহরে থাকলেও আলাদা এলাকায় বাস। দুর্ঘটনার সময়ও আমি দূরেই ছিলাম। খবর পাওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ, আমার বড় ভাই আর বেঁচে নেই। ভাইয়ের মরদেহ আর দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি পুলিশ, সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এখন (৩ মার্চ, সন্ধ্যা) পর্যন্ত ভাইকে একনজর দেখতেও পারিনি।