ঘূর্ণিঝড় তিতলি'র প্রভাবে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনো উত্তাল রয়েছে। বড় বড় ঢেউ সৈকতে আছড়ে পড়ছে। স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে উপকূলীয় পটুয়াখালীর কলাপাড়ার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি ৪-৫ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া বেড়িবাঁধে ভাঙা পয়েন্ট দিয়ে পানি প্রবেশ করে গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। 

অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নে নিজামপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ তলিয়ে যাওয়াতে শিক্ষার্থীদের পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে। গত দু'দিন ধরে দফায় দফায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাতে পানিবন্দী রয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। তবে সাগরে মাছ ধরার ট্রলার না থাকায় কোন ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি বলে স্থানীয় জেলেরা জানিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন বেড়িবাঁধের ভাঙা পয়েন্ট থেকে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে বহু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এর ফলে কৃষকদের ফসল তলিয়ে রয়েছে পানির নিচে। মাছের ঘের ডুবে যাওয়ায় লোকসানের মুখে পরেছে মৎস্য চাষীরা। বেড়িবাঁধ ও উঁচু জমি হয়েছে গবাদি পশুর চারণ ভূমি। 

এছাড়া নিজামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথ ও স্কুল মাঠ তলিয়ে রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীসহ দুর্ভোগে পরেছেন স্থানীয়রা। এদিকে ঘূর্ণিঝড় তিতলি আস্তে আস্তে দুর্বল হয়ে পড়ছে। তাই চার নম্বর সতর্ক সংকেত নামিয়ে উপকূলীয় এ অঞ্চলকে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখানো হয়েছে বলে আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে। 

মহিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.আ. ছালাম আকন বলেন, বেড়ি বাঁধের কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় শতশত একর কৃষি জমি আনাবাদি হয়ে পড়ে রয়েছে। অতিদ্রুত এ বেড়িবাঁধের কাজ সম্পন্ন করা না হলে শিক্ষা, কৃষি, বসবাস সব কিছু স্থবির হয়ে পরবে। এ ব্যাপারে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বেড়ি বাধঁটি নির্মাণ করার দাবি জানান তিনি। 

বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews