বিএনপি নির্বাচনের জন্য সংস্কারের বিষয়ে আপস করেছিল—সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের এই বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, সে কারণে সে সময়ে তারা জুলাই সনদ ও সংস্কার কমিশনের সবকিছু গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু তাদের প্রধান উদ্বেগ ছিল নির্বাচন, সংস্কার নয়। এখানে দুটি বিষয় রয়েছে। একটি হলো সংস্কারের বিষয়বস্তু কী, কোন সংস্কার আমাদের দরকার। আর দ্বিতীয়ত, কীভাবে এর বাস্তবায়ন হবে। এখানে কীভাবের প্রশ্নটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। সরকার একটি সাধারণ সংশোধনপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংস্কার করতে চাইছে। কিন্তু আমরা সংবিধান সংস্কার পরিষদ চাই।
সংবিধানে মৌলিক পরিবর্তনের জন্য সংবিধান সংস্কার পরিষদ জরুরি বলে মন্তব্য করেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ। তিনি বলেন, ‘এখন আমরা কিছু প্রধান মৌলিক সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। যেমন, উচ্চকক্ষের গঠন, যা সংবিধান সংশোধনে ভারসাম্য তৈরি করবে। এ ছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়োগ, দুদক ও নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ এবং স্বাধীন বিচার বিভাগ-এসব বিষয়কেও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি।’
কূটনীতিকদের উদ্দেশে নাহিদ ইসলাম বলেন, সংস্কার বাস্তবায়নে তাঁরা কোনো অস্থিতিশীলতা চান না। তাঁরা এখনো আশা করছেন যে আলোচনার মাধ্যমে সংস্কারের বিষয়ে একটি সমাধানে যাওয়া সম্ভব হবে।