মিথ্যা বলা রাষ্ট্রপরিচালনার ক্ষেত্রে যেন একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজনীতিবিদেরা নিজেদের টিকে থাকা কিংবা সাম্রাজ্য বিস্তারের স্বার্থে নানা ছলনার আশ্রয় নিয়েছেন। মনে করা হয়েছে, এটি উত্তেজনা প্রশমন করবে অথবা যুদ্ধের কিনারা থেকে সম্মানজনক প্রত্যাবর্তনের পথ করে দেবে।
তবে বর্তমানের এই অতিসংযুক্ত পৃথিবীতে একটি রাজনৈতিক মিথ্যার আয়ু অবিশ্বাস্যভাবে কমে এসেছে। যখন তথ্যকে তাৎক্ষণিকভাবে অস্ত্রে রূপান্তর করা সম্ভব, তখন মিথ্যা বনিয়াদের ওপর টেকসই কোনো কর্মসূচি গড়া যেকোনো নেতার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজনৈতিক এই প্রচলিত ধারার ঊর্ধ্বে এক বিস্ময়কর ব্যতিক্রম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। বারবার তাঁর অসত্য দাবিগুলো ধরা পড়লেও তিনি পিছু হটেননি। এমনকি তথ্যগুলোর অন্তঃসারশূন্যতা প্রমাণিত হওয়ার পরও তিনি নিজস্ব ‘বিকল্প তথ্যের’ ওপর ভিত্তি করে নিজের নীতিতে অটল থাকছেন।