চলমান বিক্ষোভে যদি ইরানের ধর্মতান্ত্রিক ও কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়ে, তাহলে খুব কম মানুষই চোখের পানি ফেলবে। তবে সেই ফলাফল বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপের জোরে চাপিয়ে দেওয়া হবে—এ কথা ভাবতেই বেশির ভাগ মানুষ অস্বস্তি বোধ করে। এদিকে খামেনিদের শাসনব্যবস্থা ভেঙে গেলে তার জায়গায় স্পষ্ট ও জনপ্রিয় কোনো বিকল্প আছে বলেও খুব বেশি মানুষ বিশ্বাস করে না।
সম্প্রতি ইন্টারনেট সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ার পরও ইরানে বিক্ষভের বহু ফুটেজ বাইরে এসেছে। আগেও বহুবার রাস্তায় নেমেছে ইরানে মানুষ । এবার আন্দোলনের প্রধান কারণ ছিল তীব্র অর্থনৈতিক সংকট।
এ কারণে ২০২৬ সালের জানুয়ারির বিক্ষোভ কোনো নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠী বা আদর্শের নেতৃত্বে হয়নি। তেহরানের বাজারের ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ ছিল বিশেষভাবে লক্ষণীয়। সাধারণত তাঁরা সরকারপন্থী হিসেবে পরিচিত এবং আগের আন্দোলনগুলোতে অংশ নেননি। তবু সমাজের সব স্তরের মানুষের ক্ষোভ একত্র হলেও শাসনব্যবস্থাকে ভেঙে দেওয়ার মতো পর্যায়ে তা পৌঁছায়নি।