রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ কে এম শফিউল ইসলামকে হত্যার দায়ে তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড হয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক অনুপ কুমার সাহা এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে বিএনপির এক নেতাসহ আট আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—আব্দুস সামাদ, কাটাখালি পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি আরিফুল ইসলাম ও সবুজ শেখ। তাঁদের মধ্যে সবুজ পলাতক। বাকি দুজন রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে শফিউল ইসলামের ছেলে সৌমিন শাহরিদ সাংবাদিকদের বলেন, মামলার তদন্ত সুষ্ঠু হয়নি।

গত ৪ এপ্রিল মামলার যুক্তি-তর্ক শেষ হয়। তার আগে গত ১৩ মার্চ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এই মামলায় ৩৩ জনের সাক্ষী নেওয়া হয়।

২০১৪ সালের ১৫ নভেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন চৌদ্দপাই এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয় অধ্যাপক শফিউলকে।

পরের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এন্তাজুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে নগরের মতিহার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে একই বছরের ২৩ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী কর্মকর্তা নাসরিন আখতারের স্বামী আবদুস সামাদসহ ছয়জনকে আটক করে র‍্যাব। পরে নাসরিন আখতারকে আটক করে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। আটকের পর নাসরিন আখতার ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজশাহী মহানগর ডিবির তৎকালীন পরিদর্শক রেজাউস সাদিক জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদার আব্দুস সামাদ ও তাঁর স্ত্রী নাসরিন আখতারসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

অভিযোগপত্রভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন—কাটাখালি পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি আরিফুল ইসলাম, সবুজ শেখ, সিরাজুল ইসলাম, আল-মামুন, সাগর, জিন্নাত আলী, আরিফ ও ইব্রাহিম খলিল।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews