ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার ২০১৫ বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন মিচেল স্টার্ক। সর্বোচ্চ উইকেটের পাশাপাশি পেয়েছিলেন টুর্নামেন্টসেরার স্বীকৃতি। এবারের বিশ্বকাপেও শুরুটা মন্দ হয়নি অসি পেসারের। তিন ম্যাচে নিয়েছেন সাত উইকেট।

এর মধ্যে দ্বিতীয় ম্যাচে পাঁচ উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুঠো থেকে স্টার্কই ছিনিয়ে এনেছিলেন জয়। টন্টনে আজ পাকিস্তানের বিপক্ষেও ব্যবধান গড়ে দিতে পারেন এই গতিময় পেসার। কিন্তু নতুন বলে স্টার্কের গোলা সামলাতে হবে যাকে, সেই ইমাম-উল-হক অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণের নেতাকে নিয়ে মোটেই ভাবিত নন।

স্টার্ককে কোনো হুমকিই মনে করছেন না পাকিস্তানি ওপেনার!

স্টার্ককে কোনো হুমকিই মনে করছেন না পাকিস্তানি ওপেনার!

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সাফল্যই এতটা আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে ইমামকে। ইংল্যান্ডের দুই গতিময় পেসার জফরা আর্চার ও মার্ক উডকে পাল্টা আক্রমণে ভোঁতা করে ৩৪৮ রানের পাহাড় গড়েছিল পাকিস্তান। ১৪ রানে জেতা সেই ম্যাচে ইমাম করেছিলেন ৪৪ রান। বছরের শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে দুই প্রোটিয়া পেসার কাগিসো রাবাদা ও ডেল স্টেইনকে ভালোভাবে সামলে পাঁচ ম্যাচে ইমাম করেছিলেন ২৭১ রান। এছাড়া বিশ্বকাপের আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে ১৫১ রানের দুর্দান্ত একটি ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন ইনজামাম-উল-হকের ভাতিজা। সবমিলিয়ে স্টার্ককে নিয়ে কোনো ভীতি কাজ করছে না ইমামের মনে, ‘স্টার্ককে আমি কোনো হুমকি মনে করছি না। বরং তার মুখোমুখি হওয়া নিয়ে আমি দারুণ রোমাঞ্চিত। আর্চার ও উডকে নিয়েও অনেক আলোচনা হচ্ছিল। কিন্তু আমরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই তাদের খেলেছি। দক্ষিণ আফ্রিকায় এরচেয়ে ঢের কঠিন কন্ডিশনে রাবাদা ও ডেল স্টেইনকে খেলে এসেছি আমি। কোনো বোলারকেই তাই আমার কাছে হুমকি মনে হয় না। বোলারদের কথা না ভেবে নিজের শক্তির দিকের ওপর জোর দিয়ে প্রস্তুত হওয়ার চেষ্টা করি সবসময়। কারণ বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলতে চাইলে বড় দলগুলোর বিপক্ষে জিততে হবে। ভয় পেলে আপনি হারার আগেই হেরে যাবেন।’



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews