ইরান যুদ্ধ ঘিরে জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে যে তুচ্ছ বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়েছিল, সেটা দ্রুতই জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এক ঐতিহাসিক সম্পর্কচ্ছেদের দিকে গড়াচ্ছে। এটা সত্যিই বড় ধরনের তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়।
জার্মানিতে এই আটলান্টিকের অপর পারের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েন এমন এক সময়ে এসেছে, যখন জোট সরকারের ভেতরের সংকট আরও গভীর হচ্ছে। চ্যান্সেলর হিসেবে মের্ৎসের দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম বর্ষপূর্তির আগমুহূর্তে এই কূটনৈতিক টানাপোড়েন সেই রাজনৈতিক সংকটকেও ছাপিয়ে যাচ্ছে।
আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এ ঘটনা প্রমাণ করছে যে ইউরোপের পক্ষ থেকে ট্রাম্পকে বুঝিয়ে-শুনিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনার মের্ৎসের যে চেষ্টা ছিল, তা আসলে ব্যর্থ হয়েছে। একই সঙ্গে এটি ন্যাটোর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে।
কিন্তু এই বিরোধের আরেকটি দিকও আছে। জার্মানির রক্ষণশীল নেতা মের্ৎস নির্বাচনে বিজয়ের রাতেই যে লক্ষ্য ঘোষণা করেছিলেন, অর্থাৎ ইউরোপকে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ছায়া থেকে আরও স্বাধীন করা, সেই আকাঙ্ক্ষাকেও নতুন গতি দিচ্ছে।