খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর খুলনা বিএনপি কার্যালয়ে নিস্তব্ধতা নেমে আসে। মঙ্গলবার নির্বাচনে শেষে রাতে দলীয় কার্যালয়ে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়। এখানে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে নির্বাচনের ফলাফল আসার পর থেকেই বিমর্ষ হয়ে পড়তে থাকেন বিএনপি কর্মী ও সমর্থকরা। পরাজয়ের পূর্বাভাস পেয়ে ধীরে ধীরে দলীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীর ভিড় বাড়তে থাকে। তবে ভিড় বাড়লেও নেমে আসে নিস্তব্ধতা। তাৎক্ষণিকভাবে পরাজয়ের জন্য সরকারকে দায়ী করে ছাত্রদলের মহানগর সভাপতি শরীফুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘সিটি নির্বাচন ছিল পরীক্ষামূলক। এই নির্বাচনই প্রমাণ করে এই সরকারের আমলে কোনও নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া সম্ভব নয়।’

১৯৮৪ সালে সিটি করপোরেশন স্থাপনের পর আওযামী লীগ মনোনিত তালুকদার আব্দুল খালেকের ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরকে বাদ দিলে বাকি সময়টা নগর পিতার দায়িত্ব পালন করেছেন বিএনপির মনোনিত প্রার্থীরা। ২০০৮ সালে যখন সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবি তখনও খুলনা থেকে  বিএনপি বিজয় লাভ করে। এই পরিস্থিতির মধ্যেও বিশাল ব্যবধানে পরাজয়ে বিএনপি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার রাতে মেয়র প্রার্থী ও বিএনপির মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও বিএনপির সাধারণ সম্পাদক  মোহাম্মাদ মনিরুজ্জামান মনিকে বিভিন্ন মিডিয়ার সঙ্গে বিমর্ষ হয়ে কথা বলতে দেখা যায়। এ  সময় মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘২৮৯টি কেন্দ্রের মধ্য ১৫০টি কেন্দ্রই দখল করে নেয় আওয়ামী লীগ। যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হতো তাহলে বিপুল ভোটে জয়লাভ করতো বিএনপি।’

ছাত্রদলের মহানগর সভাপতি শরীফুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘ভোটে পরাজয়ের জন্য কাকে দায়ী করবো? আমি নিজেই তো আমার ভোট দিতে পারিনি। গিয়ে দেখি আমার ভোট আর কে একজন দিয়ে চলে গেছে। এই নির্বাচনই প্রমাণ করে এই সরকারের আমলে কোনও নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া সম্ভব নয়।’

আরও পড়ুন- 

খুলনার নগরপিতা তালুকদার খালেক

কারচুপির নির্বাচনের কারণে গণতন্ত্র আরও সংকটে পড়বে: মঞ্জু

মঞ্জুকে পাশে নেবেন খালেক

খুলনা থেকে বিএনপির শিক্ষা নেওয়া উচিত: আ.লীগ

কেসিসিতে ৭ বিদ্রোহী নির্বাচিত



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews