অস্ত্রাগারের চাবি হস্তান্তরের বিষয়ে ডিসি, এসপি, পুলিশ সুপার, রিজার্ভ ইন্সপেক্টর (আরআই) ও অন্য কর্মকর্তাদের একটি সভা হয়। সভায় পুলিশ লাইন রিজার্ভ ইন্সপেক্টর অস্ত্রাগারের চাবি হস্তান্তর করা হবে না বলে জানান।

এদিকে পাকিস্তানি বাহিনীর মেজর ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশ সুপারকে অস্ত্রাগারের চাবি দেওয়ার জন্য বারবার তাগাদা দিতে থাকেন। সন্ধ্যা ছয়টায় অস্ত্রাগারের চাবি হস্তান্তর করা হবে—এমন বার্তা দেওয়া হয় পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে।

এদিকে পুলিশ লাইনের ভেতরে রিজার্ভ ইন্সপেক্টরের নেতৃত্বে খোঁড়া হয় গর্ত। তাঁর পরিকল্পনা ছিল, এসব গর্তে পুলিশ সদস্যরা অস্ত্র হাতে অবস্থান নেবেন। পাকিস্তানি বাহিনী এলেই শুরু হবে গুলি। এই কৌশল পাকিস্তানি বাহিনী জানত না।

চুক্তিমতো অস্ত্রাগারের চাবি নেওয়ার জন্য ঠিক সন্ধ্যা ছয়টায় পাকিস্তানি বাহিনী পুলিশ লাইন ঘেরাও করে বৃষ্টির মতো গোলাবর্ষণ করে।

পুলিশ লাইনের ভেতরে পুলিশ বাহিনী পাল্টা গুলি চালায়। এভাবে সেদিন সারা রাত উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি চলে। ফজরের আজান হওয়ার পরপরই পদ্মার চর ও পাবনা শহরের আশপাশের জনসাধারণ ‘জয় বাংলা’ বলে লাঠিসোঁটা নিয়ে পুলিশ লাইনের দিকে এগিয়ে যায়। হানাদার বাহিনী মনে করে, সাধারণ মানুষ তাদের ঘিরে ফেলেছে। ভয়ে তারা পিছু হটে পাবনা সার্কিট হাউসে অবস্থান নেয়।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews