বহু প্রতীক্ষিত নির্বাচন শেষে নতুন বছরে নতুন সম্ভাবনার পসরা সাজিয়ে মন্ত্রিসভা গঠিত হয়েছে। বিজয়ের আকার বা জয়ের ব্যবধান নিয়ে কিছু আলোচনার সুযোগ তৈরি হলেও মহাজোটের পুনরায় সরকারে ফিরে আসা খুব একটা অপ্রত্যাশিত ছিল না।

বিগত এক দশকে দেশের আর্থ-সামাজিক পরিসরে যে অর্জন সাধিত হয়েছে, তা দেশে-বিদেশে সমানভাবে স্বীকৃত ও প্রশংসিত। জনমত জরিপেও দেশি-বিদেশি সমীক্ষকদের আভাস এমন বিজয়ের দিকচিহ্ন এঁকে দিয়েছিল।

পক্ষান্তরে বিরোধী দলের আদর্শিক অস্পষ্টতা, সিদ্ধান্তের অস্থিরতা, যথেষ্ট প্রস্তুতির অভাব, নেতৃত্বের শূন্যতা সর্বোপরি ক্ষমতাসীন দলের মনোজাগতিক কর্তৃত্বের পাশাপাশি সর্বাত্মক প্রচারের বিপরীতে কার্যকর কোনো প্রচার কৌশল বা রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুপস্থিতি মহাজোটের বিজয়কে সহজ করে তুলেছিল।

তবে একথা সত্যি যে, টানা তৃতীয়বারের মতো রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের বিপুল জনরায় একদিকে যেমন গুরুত্বপূর্ণ যুগসন্ধিক্ষণে সরকারের উন্নয়ন সক্ষমতা অব্যাহত রাখার অভূতপূর্ব সুযোগ সৃষ্টি করেছে, অন্যদিকে আক্ষরিক অর্থে বিরোধীশূন্য রাজনৈতিক পরিসরে সুবিধাবাদ ও ভোগ-লালসার অনভিপ্রেত আস্ফালনকে রুখে দিয়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠাও নতুন সরকারের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ বলেই প্রতিভাত হচ্ছে।

তবে একথা সত্যি যে, টানা তৃতীয়বারের মতো রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের বিপুল জনরায় একদিকে যেমন গুরুত্বপূর্ণ যুগসন্ধিক্ষণে সরকারের উন্নয়ন সক্ষমতা অব্যাহত রাখার অভূতপূর্ব সুযোগ সৃষ্টি করেছে, অন্যদিকে আক্ষরিক অর্থে বিরোধীশূন্য রাজনৈতিক পরিসরে সুবিধাবাদ ও ভোগ-লালসার অনভিপ্রেত আস্ফালনকে রুখে দিয়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠাও নতুন সরকারের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ বলেই প্রতিভাত হচ্ছে।

এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিভিন্ন মানদণ্ডে বিশিষ্ট, অনন্য। অনেক বছর পর দলীয় সরকারের অধীনে দেশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাক্ষী হল। ৩৯টি রাজনৈতিক দল এ নির্বাচনে অংশ নিয়েছে।

ভোট গ্রহণের দিনে উৎসবের দিনগুলোকে মনে করিয়ে রাজধানী শহর ফাঁকা হয়েছে। গ্রামে ফিরেছে উৎসবে অংশগ্রহণেচ্ছু ভোটার। নির্বাচন কমিশন বলছে, ভোট পড়েছে ৮০ শতাংশ, ২০০৮ সালে যা ছিল ৮৭ শতাংশ। নির্বাচনের দিন ও তার পূর্বরাতের সহিংসতাকে বাদ রেখে মোটা দাগে বলা যায় অতীতের যে কোনো সময়ের নিরিখে এবারের নির্বাচনকালীন পরিবেশ ছিল অপেক্ষাকৃত শান্তিপূর্ণ।

সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়ানোর প্রবণতা বিবর্জিত এবারে নির্বাচনের আরও একটি বৈশিষ্ট্য হল- ক্ষমতাসীন দল টানা তিনবারের মতো ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার পরিচালনার দায়িত্বে ফিরেছে। প্রতিষ্ঠানবিরোধী প্রথাবদ্ধ ঝোঁককে পাত্তা না দিয়ে জোটের ভারি বিজয় যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়ানোর প্রবণতা বিবর্জিত এবারে নির্বাচনের আরও একটি বৈশিষ্ট্য হল- ক্ষমতাসীন দল টানা তিনবারের মতো ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার পরিচালনার দায়িত্বে ফিরেছে। প্রতিষ্ঠানবিরোধী প্রথাবদ্ধ ঝোঁককে পাত্তা না দিয়ে জোটের ভারি বিজয় যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

১৯৯৬-২০০১ ও ২০০৮-২০১৮ পর্যন্ত সময়কাল বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত উজ্জ্বল একটি অধ্যায়। আজ থেকে শতবর্ষ পরে ইতিহাসের কোনো কৌতূহলী পাঠক কিংবা গবেষক যদি নির্মোহ দৃষ্টিকোণে কালপঞ্জির এ ক্ষুদ্র অংশটি বিশ্লেষণ করেন, নিশ্চিত করে বলতে পারি, তার চোখে ধরা পড়বে একটি অপরিচিত, অবহেলিত, উপেক্ষিত ভাষাগোষ্ঠী শুধু নেতৃত্বের সামর্থ্য, দূরদৃষ্টি ও দেশপ্রেমের আশ্রয়ে কীভাবে বদলে যায়।

গ্রাম থেকে শহর সর্বত্রই আজ উন্নয়নের ছোঁয়া। আমজনতার কাজ বেড়েছে। সামর্থ্য বেড়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ। কলকারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য চলেছে পুরোদমে। উৎপাদনের বৃত্তে নারী আছে জোর কদমে। বিনিয়োগ বেড়েছে। শিক্ষার প্রসার বিস্ময়কর।

বছরের প্রথম দিন সব শিশুর হাতে নতুন বই। বৃত্তি-উপবৃত্তির বেষ্টনীতে প্রায় সব শিক্ষার্থী গণ্ডিবদ্ধ। দেশের চোখ ধাঁধানো অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি প্রবল প্রতিবেশীদের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক রক্ষার মধ্য দিয়ে স্থল ও সমুদ্র সীমানা নির্ধারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্বার্থ আদায় করে জনজীবনে ব্যাপক আস্থা অর্জন সম্ভব হয়েছে।

বছরের প্রথম দিন সব শিশুর হাতে নতুন বই। বৃত্তি-উপবৃত্তির বেষ্টনীতে প্রায় সব শিক্ষার্থী গণ্ডিবদ্ধ। দেশের চোখ ধাঁধানো অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি প্রবল প্রতিবেশীদের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক রক্ষার মধ্য দিয়ে স্থল ও সমুদ্র সীমানা নির্ধারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্বার্থ আদায় করে জনজীবনে ব্যাপক আস্থা অর্জন সম্ভব হয়েছে।

বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, সাম্যবাদ এমন সব নানা উচ্চমার্গীয় তত্ত্বের কথা জন্মলগ্ন থেকে শুনে এসেছে। কিন্তু বাস্তবতা হল- যে কারণেই হোক একশ্রেণীর মানুষ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ধনী হয়ে উঠেছে। লোভ-লালসা বেড়েছে মারাত্মকভাবে, মূল্যবোধের অবক্ষয় সমাজের প্রায় সব প্রতিষ্ঠানকে আক্রান্ত করেছে।

যে সমাজে ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান ক্রমশ সম্প্রসারণশীল, সমাজকাঠামোয় বৈষম্য দূর করার সুযোগ নেই, বাজার অর্থনীতিতে দুর্বৃত্তায়নের আগ্রাসন প্রতিষ্ঠিত, সেখানে শুধু একদিনে ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নিষ্ফল গণতান্ত্রিক চর্চার ছদ্মাবরণে ক্ষমতা দখলের লড়াই মানুষকে যথেষ্ট আকৃষ্ট করেনি।

পক্ষান্তরে সাধারণ মানুষের জীবনমানে পরিবর্তন, দারিদ্র্য হ্রাস, সামর্থ্য বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিদ্যমান পরিসর যাতে কোনোভাবে সংকুচিত হয়ে না পড়ে সেদিকেই নাগরিকের সতর্ক দৃষ্টি ছিল।

পক্ষান্তরে সাধারণ মানুষের জীবনমানে পরিবর্তন, দারিদ্র্য হ্রাস, সামর্থ্য বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিদ্যমান পরিসর যাতে কোনোভাবে সংকুচিত হয়ে না পড়ে সেদিকেই নাগরিকের সতর্ক দৃষ্টি ছিল।

অন্যদিকে, নির্বাচনের প্রস্তুতিও ক্ষমতাসীন জোট আগেভাগেই অত্যন্ত গোছালো প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করতে পেরেছিল। শুধু দলীয় ফোরাম বা গণমাধ্যমে সরকারের সাফল্যগাথা প্রচারের মধ্যেই তা সীমাবদ্ধ ছিল না।

উন্নয়ন মেলা, আইসিটি মেলা বা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একদিকে যেমন এ প্রচারগুলো বেগবান হয়েছে, অন্যদিকে বিভিন্ন জাতীয় দিবসে দেশাত্মবোধ উদ্দীপক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে সচেতন ও আগ্রহী করে তুলতে পেরেছে, যা কার্যত মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানকারী দলের ঐতিহাসিক ভূমিকা ও ত্যাগ সম্পর্কে দেশের ভবিষ্যৎ নাগরিক সমাজকে সচেতন করেছে।

ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারণা এদেশের তারুণ্যের কাছে শুধু সানন্দে গ্রাহ্যই হয়নি, বাংলাদেশের প্রথাগত আর্থ-সামাজিক সংস্কৃতিতে রূপান্তর এনে প্রযুক্তির চিত্তাকর্ষক সংযোজন জীবনমান, দৈনন্দিনতা ও কর্মসংস্থানের জগতে নীরব বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলেছে।

এসবই সরকারি দলের ভাবমূর্তি ও আস্থার পরিসরকে ক্রমাগত প্রশস্ত করেছে। উপরন্তু, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকার কারণে মনোজাগতিক কর্তৃত্ব প্রচারের মাঠে মহাজোটকে এগিয়ে রেখেছিল। দলের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি রূপকল্প প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজেই ভোটারের কাছে পৌঁছে যায়।

এসবই সরকারি দলের ভাবমূর্তি ও আস্থার পরিসরকে ক্রমাগত প্রশস্ত করেছে। উপরন্তু, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকার কারণে মনোজাগতিক কর্তৃত্ব প্রচারের মাঠে মহাজোটকে এগিয়ে রেখেছিল। দলের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি রূপকল্প প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজেই ভোটারের কাছে পৌঁছে যায়।

তবে একথা উপেক্ষা করার সুযোগ নেই যে, মহাজোট ও এর নেত্রীর ওপর দেশের মানুষের যে অকুণ্ঠ সমর্থন ন্যস্ত হয়েছে তার দায় অপরিসীম। মানুষের প্রত্যাশা পূরণ শুধু বৈষয়িক সমৃদ্ধি ও জীবনমানের উন্নয়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যদি ব্যক্তি, দল বা রাষ্ট্রীয় কোন প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতা, বিচ্যুতি বা অতি উৎসাহ কাজ করে থাকে, তা দেশের বৃহত্তর স্বার্থে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সরকার দলীয় নেত্রী দেশকে শুধু সামগ্রিক উন্নয়নের অবিশ্বাস্য উচ্চতায় স্থাপন করেননি, বিশ্বসভায়ও বাংলাদেশ আজ মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত। স্বভাবতই নতুন এ সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশার পাত্র থাকবে কানায় কানায় পরিপূর্ণ।

দেশ আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ যুগসন্ধিক্ষণে উপনীত। স্বল্পোন্নত হতে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণকে টেকসই করার লক্ষ্যে অনেক প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা প্রয়োজন। দেশের উপচে পড়া তারুণ্যের জন্য চাই যুগোপযোগী শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান।

বিশ্বজনীন মানে উত্তীর্ণ করে এদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরই সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পথে অন্তরায় দূর করা এখন সরকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। আর্থিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার বহুল আলোচিত প্রসঙ্গটি যথেষ্ট তাৎপর্য বহন করে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, সেবার মান উন্নয়ন, ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য সর্বাত্মক প্রয়াস জারি রাখা জরুরি।

সুবর্ণচরে নির্বাচনোত্তর গণধর্ষণের কলঙ্কজনক ঘটনাকে সরকার যেমন কঠোর হাতে মোকাবেলা করেছে, ঠিক একইভাবে ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের আগে ও পরে সংঘটিত সহিংসতা, ২০০১-২০১৫ পর্যন্ত নির্বাচনকেন্দ্রিক সংখ্যালঘু নির্যাতনসহ অতীতে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার সমাজের তথা সুশাসনের জন্য ভীষণ প্রয়োজন। অপরাধী দায়মুক্তি পেলে সে অপরাধের অভিঘাত সমাজ মননের শুদ্ধতর ধারাকে ক্রমশ রুগ্ন করে ফেলে।

‘দুর্নীতির প্রতি শূন্য সহ্যশীলতা’- এমন অঙ্গীকার আমাদের প্রধানমন্ত্রীর। মুক্তিযুদ্ধোত্তর সরকার পরিচালনা করতে গিয়ে জাতির জনকের কণ্ঠেও এমনই প্রত্যয়দীপ্ত উচ্চারণ আজও আমাদের শিহরিত করে। প্রবল রাজনৈতিক সদিচ্ছা, জনমত, সংগঠন ও প্রযুক্তির সর্বাত্মক ব্যবহারের মধ্য দিয়েই দুর্নীতিকে সম্পূর্ণ নিঃশেষ করতে না পারলেও সহনীয় মাত্রায় নামিয়ে আনা সম্ভব হবে- এ বিশ্বাস আমরা রাখতে পারি।

ভিন্ন কণ্ঠস্বর, বিরুদ্ধমতকে সহ্য করার সংস্কৃতি সুস্থ গণতান্ত্রিক চর্চার আবহকে রুচিশীল ও অনুকূল করে। মহাজোটের বিশাল বিজয়ের উষ্ণ ক্যানভাস থেকেই বাংলাদেশে সুস্থ রাজনীতির পরিচ্ছন্ন ধারা শুরু করার সুযোগ এসেছে বলে মনে হয়।

বিতর্ক-বিবিধতা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। একটি উন্নত সমাজ তাকে পরিচর্যা করে। বিজয়ীর অধিকার যেন বিজিতের পরিসরকে সংকুচিত না করে, একের অস্তিত্ব যেন অন্যের বিনাশের কারণ না হয় সে লক্ষ্যেও জাতীয় স্তরে সংলাপ হতে পারে।

সুস্থ এক ভবিষ্যৎ প্রস্তুতির জন্য মতাদর্শিক সঙ্কীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে সব অমীমাংসিত সমস্যার স্থায়ী নিষ্পত্তি হওয়া জরুরি। ইতিহাসের এই বর্ণময় বাঁকে সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা করে শোষণমুক্ত সমাজ নির্মাণের স্বপ্ন বাস্তবায়নে মতপথ নির্বিশেষে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নেয়ার লড়াইয়ে সবার শামিল হওয়ার এখনই বোধহয় শ্রেষ্ঠ সময়।

সুস্থ এক ভবিষ্যৎ প্রস্তুতির জন্য মতাদর্শিক সঙ্কীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে সব অমীমাংসিত সমস্যার স্থায়ী নিষ্পত্তি হওয়া জরুরি। ইতিহাসের এই বর্ণময় বাঁকে সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা করে শোষণমুক্ত সমাজ নির্মাণের স্বপ্ন বাস্তবায়নে মতপথ নির্বিশেষে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নেয়ার লড়াইয়ে সবার শামিল হওয়ার এখনই বোধহয় শ্রেষ্ঠ সময়।

অমিত রায় চৌধুরী : সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ

[email protected]



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews