কিন্তু না। সেই অনিশ্চয়তার মেঘ তার কেটে গেছে। বিসিবির ফিজিও বায়েজিদের অধীনে প্রায় মাস খানেক থেরাপি নেয়ার পর এখন অনেকটাই ফিট এই টাইগার স্পিনিং অলরাউন্ডার। ফলে তাকে ছুরি-কাঁচির নিচে যেতে হচ্ছে না।

এতে করে আফগান সিরিজের মূল স্কোয়াডে থাকা নিয়ে তার নিজের ভেতরে বেশ আত্মবিশ্বাস কাজ করছে। 'যে জিনিসটা নিয়ে ভয় পেয়েছিলাম, সেটা কাটিয়ে উঠেছি। আমার সার্জারি লাগবে কী লাগবে না। আশা করি যে এখন যে অবস্থায় আছে, ওই রকম পর্যায়ে নেই। তারপরও চেষ্টা করছি যে শতভাগ ফিট হওয়ার জন্য। এখনো সময় আছে। জিম আছে, মারিও (ভিল্লা ভারানে) আছেন, উনিও সহায়তা করছেন। বায়োজিদ ভাই ছিলেন, তিনিও সহায়তা করছেন। পুরো একমাস বায়োজিদ ও দেবাশীষ স্যার দু’জন আমাকে অনেক গাইড করেছেন। এখন জাতীয় দলের ক্যাম্প চলছে। আশা করি যে ভালোই হয়েছে। আশা করি, ফিট হয়ে যাব। এখনো তো সময় আছে অনেক দিন।’

বুধবার মিরপুর জাতীয় ক্রি‌কেট একাডেমি মাঠে তিনি একথা বলেন।

এদিন মিরাজ, মাশরাফিদের অনুশীলন ছিল বিকেলে। অনুশীলন চলাকালীন মিরপুর হোম অব ক্রি‌কেট পরিদর্শনে এলেন বাংলাদেশকে স্বপ্নের আইসিসি বিশ্বকাপে নিয়ে  যাওয়া কোচ গর্ডন গ্রি‌নিজ।

একাডেমির মাঠে এসে টাইগারদের উষ্ণ অভ্যর্থনা গ্রহনের পর তাদের সাথে কিছু সময় মত বিনিময় করেন। বাতলে দেন ভবিষ্যতের করণীয়।

১৯৯৭ সালে যে কারিগরের নির্দেশনায় বাংলাদেশের ক্রি‌কেটের বিশ্বকাপ স্বপ্ন পূরণ হয়েছিল তার সাথে কথা বলতে পেরে দারুণ আল্পুত মিরাজ।

'আসলেই ভালো লাগছে। অবশ্যই বলব যে তিনি একজন কিংবদন্তি এবং বাংলাদেশ টিমের কোচ ছিলেন। তার অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমার কাছে ভালোই লেগেছে। সবাই অনেক কথা বলেছেন তার সঙ্গে।'-যোগ করেন মিরাজ।

বাংলাদেশ সময়: ২০০৮ ঘণ্টা, ১৬ মে, ২০১৮

এইচএল/এমএমএস



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews