এই দুই কোম্পানি মিলে ‘সামিট মেঘনাঘাট টু পাওয়ার লিমিটেড’ নামে একটি কনসোর্টিয়াম গঠন করেছে। আগামী তিন বছরের মধ্যে নতুন এই বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে যাবে বলে আশা করছে কনসোর্টিয়াম।

জ্বালানি হিসাবে গ্যাসের বর্তমান মূল্য বিবেচনায় এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ পড়বে ২ দশমিক ১৭৬ টাকা। বেসরকারি খাতে এটিই হবে সর্বনিম্ন উৎপাদন ব্যয়।

নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ ভবনে সরকারের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে সামিট মেঘনাঘাট-২ কর্তৃপক্ষ।

এর মধ্যে পিডিবির সঙ্গে ২২ বছর মেয়াদে ক্রয় চুক্তি (পিপিএ), ভূমি ইজারা চুক্তি, তিতাস গ্যাসের সঙ্গে গ্যাস সরবরাহ চুক্তি, পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহ চুক্তি এবং পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি ও বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে বাস্তবায়ন চুক্তি হয়েছে।

সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বলেন, গত দশকে ‘বিস্ময়কর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি’ বাংলাদেশেকে বিশ্বের বুকে ‘অনুকরণীয় হিসেবে’ পরিচিত করেছে। এক্ষেত্রে সামিটও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।

নতুন এই প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় না জানালেও আগামী পাঁচ বছরে বিদ্যুৎ খাতসহ বিভিন্ন খাতে চার বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানান আজিজ খান।

১৯৯৮ সালে ১১৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার স্বতন্ত্র বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে এই খাতে বেসরকারি বিনিয়োগের সূচনা করে সামিট পাওয়ার।

বর্তমানে সামিটের কেন্দ্রগুলো থেকে দুই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে, যা বেসরকারি খাতের মোট উৎপাদনের ২১ শতাংশ এবং মোট দেশীয় উৎপাদান সক্ষমতার ৯ শতাংশ।

অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনীম, বিদ্যুৎ সচিব আহমেদ কায়কাউস, পিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews