উপকূলের আগেই ঘূর্ণিঝড় 'বুলবুল' আঘাত হানল আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) ওয়েবসাইটে। ঘূর্ণিঝড়টি 'অতি প্রবল' এবং ৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেতে রূপ নিতেই কারিগরি জটিলতায় পড়ে ঝড়ের কারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা ওয়েবসাইটটি। শুক্রবার এ জটিলতায় ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত তথ্য হালনাগাদ করা হয়নি। অথচ এ সময় সতর্ক সংকেতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়।

জানা গেছে, গত মে মাসে ঘূর্ণিঝড় ফনীর সময়ও কারিগরি জটিলতায় পড়েছিল বিএমডির ওয়েবসাইট। ভুক্তভোগীরা বলছেন, আবহাওয়া অধিদপ্তরের এই জটিলতা যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে টেলিভিশনের খবরে হুঁশিয়ারি সংকেত দেখে তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে বিস্তারিত খবরের আশায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে বারবার ঢুঁ মেরেও হালনাগাদ তথ্য পাননি।

জানা গেছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট বুলবুল প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয় বৃহস্পতিবার রাতে। এরপর বিশেষ বুলেটিনে সমুদ্র বন্দর এবং উপকূলবর্তী এলাকার মানুষকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলে আগারগাঁওয়ের আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার সকালে ঘূর্ণিঝড়টি 'অতি প্রবল' আকারে রূপ নিলে হুঁশিয়ারি সংকেত বাড়িয়ে ৪ নম্বর করা হয়।

শুক্রবার দুপুরে দেখা যায়, অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের টিকারে পুরোনো সংকেতের তথ্য দেখানো হচ্ছিল। 'বুলেটিন দেখতে ক্লিক করুন'- লিংকে ক্লিক করেও হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যায়নি। এমনকি আবহাওয়া অধিদপ্তরের ফেসবুক পেজেও সঠিক সময়ে তথ্য হালনাগাদ হয়নি।

ফোনে যোগাযোগ করা হলে আবহাওয়াবিদ আবদুল হামিদ জানান, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টায় ওয়েবসাইটে তথ্য হালনাগাদ করা সম্ভব হয়েছে। এদিকে, বরিশাল, মংলা, চট্টগ্রাম, কপবাজারসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আতঙ্কিত ব্যক্তিরা ফোন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা জানান, এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে টানা ১২ ঘণ্টা ধরে একই তথ্য দিয়ে রাখা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ব্যর্থতা।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews