মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বারুদের গন্ধ। একদিকে ইসরায়েল আর যুক্তরাষ্ট্র, অন্যদিকে ইরান। শক্তিমত্তার দিক দিয়ে বিচার করলে এটি একটি অসম লড়াই। এটি কত দিন চলবে, কে জানে।

ইরানে ৪৭ বছর ধরে চলে আসছে একধরনের ধর্মভিত্তিক শাসনব্যবস্থা। এটি অনেকেরই পছন্দ নয়। শাসকদের ওপর জনগোষ্ঠীর কোনো কোনো অংশের ক্ষোভ বাড়ছে। মাঝেমধ্যে এর প্রতিফলন দেখা যায়। এর ওপর ভর করে বিদেশিরা, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র নাক গলানোর সুযোগ পায়। ইরানে এর দৃশ্যমান প্রতিফলন দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানে চায় শাসকবদল। এখানে প্রশ্ন উঠেছে নৈতিকতার। একটি দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বাইরের কোনো শক্তির হস্তক্ষেপ কি মেনে নেওয়া যায়?

এ ক্ষেত্রে দুই রকমের মত আছে। একটি মত হলো, একটি জনবিক্ষোভ বা বিদ্রোহ যদি ন্যায়সংগত হয়, তাহলে বাইরের কোনো শক্তি তার সাহায্যে এগিয়ে এলে বিক্ষুব্ধ জনশক্তি তাকে স্বাগত জানায়। অন্যদিকে বিরাজমান ব্যবস্থার প্রতিভূ যাঁরা, তাঁরা বাইরের হস্তক্ষেপকে অনভিপ্রেত মনে করেন। তাঁরা বলেন, এটা আগ্রাসন। দুই মতের পক্ষেই অনেক লোক পাওয়া যায়।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews