শেষ হতে চলেছে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আগামী রবিবার (৮ মার্চ) আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে স্বাগতিক ভারত ও নিউজিল্যান্ড।
দলের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে শিরোপ নিশ্চিত করতে চায় দু দল। তবে বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচের আগে দর্শকদের জন্য রাখা হয়েছে বিনোদনের ব্যবস্থা।
প্রতিবারের মতো এবারও তাই ফাইনালে কারা পারফর্ম করছেন তার দিকে নজর থাকবে সবার। আর এখানেই চমক রেখে দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)। বিশ্বকাপ ফাইনালে পারফর্ম করবেন পপ তারকা রিকি মার্টিন।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রিকি মার্টিনের পারফরম্যান্স মানেই এক বাড়তি উত্তেজনা। ল্যাটিন পপ সঙ্গীতের এই জাদুকর তার সুরের মূর্ছনায় সারা বিশ্বকে সম্মোহন করে রাখতে জানেন।
ক্রীড়াক্ষেত্রে বড় আসরে রিকি মার্টিনের পারফর্ম করার ইতিহাস বেশ পুরনো। ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপের অফিসিয়াল গান ‘লা কোপা দে লা ভিদা’ বিশ্বে জনপ্রিয়তা অর্জন করে। সেই গান এখনও ফুটবল ও সঙ্গীতপ্রেমীরা শোনেন।
সেই গান তিনি যেভাবে পরিবেশন করেছিলেন এবং তার সঙ্গে তার নাচের ছন্দ স্টেডিয়ামজুড়ে উন্মাদনা তৈরি করেছিল। ২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের থিম সংয়ে শাকিরার ‘ওয়াকা ওয়াকা’ গানের আগে রিকি মার্টিনের গানই ছিল সমর্থকদের প্লেলিস্টে। শাকিরা না রিকি মার্টিন, বিশ্বকাপে কার থিম সং জনপ্রিয় তা নিয়ে তর্ক রয়েছে সমর্থকদের মধ্যে। তবে মিলেনিয়ান ও জেন জিদের কাছে এই দুই তারকা গানই জনপ্রিয়। এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চেও রিকি মার্টিন সেই পুরনো জাদু ফিরিয়ে আনবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশ্বের রিকি মার্টিনের জনপ্রিয়তার কোনও শেষ নেই। ‘লিভিন লা ভিদা লোকা’, ‘মারিয়া’-এর মতো গানগুলো তাকে বিশ্ব সঙ্গীতে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপের পর রেডিওতে ইংরাজি গান মানেই রিকি মার্টিন ছিলেন। দশক পার হয়ে গেলেও তার গানের আবেদন কমেনি যেকোনো বড় মঞ্চে তার উপস্থিতি মানেই এক অবিস্মরণীয় সন্ধ্যা।
ফাইনালের আগে বিকাল সাড়ে পাঁচটায় শুরু হবে রিকি মার্টিনের পারফরম্যান্স। এক ঘণ্টা ধরে চলবে সেই পারফরম্যান্স। আপাতত সেটির দিকে তাকিয়ে দুনিয়া।
বিডি প্রতিদিন/কামাল