২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন নিয়ে তোপের মুখে রয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানগুলো। সামাজিক মাধ্যমগুলো কীভাবে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে তা নিয়েও শঙ্কা বাড়ছে।

ইতোমধ্যেই নিজেদের প্ল্যাটফর্ম সব ধরনের রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটার।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আইএএনএস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের তিনশ’র বেশি ভিডিও বিজ্ঞাপন বাতিল করা হয়েছে, এর বেশিরভাগই গ্রীষ্মজুড়ে প্রচার হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অমান্য করেছে।

টেলিভিশনের তুলনায় অনলাইন বিজ্ঞাপনগুলো আশ্চর্যজনক হারে মিথ্যা ছড়াতে পারে। মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদমের মাধ্যমে এই বিজ্ঞাপনগুলো দ্রুত গতিতে এবং বড় পরিসরে গ্রাহককে লক্ষ্য বানাতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন সরিয়ে নেওয়া হলেও কোন নীতিমালা ভাঙ্গা হয়েছে তার বিস্তারিত পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ।

ট্রাম্পের বিজ্ঞাপনগুলোকে `আপত্তিকর’ বলা হয়েছে। তবে, প্রতিবেদনের মতে, স্বচ্ছতা প্রতিবেদনে স্বচ্ছতা ছিল কমই।

ভুয়া তথ্য ছড়ানোর অনন্য ক্ষমতা এবং সেগুলো নিয়ন্ত্রণের অপারগতার কারণেই সামাজিক মাধ্যমে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের বিষয়টি সমালোচনায় এসেছে।

এরই মধ্যে নভেম্বরে বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনদাতাদের জন্য নতুন সীমার ঘোষণা দিয়েছে গুগল।

মূল ফরম্যাটে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনদাতাদের জন্য সার্চ বিজ্ঞাপন, ইউটিউব বিজ্ঞাপন এবং ডিসপ্লে বিজ্ঞাপনের সুযোগ দিয়ে থাকে গুগল। নতুন আইনের আওতায় রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনদাতারা শুধু পোস্টাল কোড পর্যায়ে বিজ্ঞাপন টার্গেট করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews